সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল
দেখার কেউ নেই

দোয়ারাবাজার-শরীফপুর ব্রিজ এখন মরণ ফাঁদ

  • আপলোড সময় : ১৬-১২-২০২৫ ০৯:৪৫:১৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-১২-২০২৫ ০৯:৪৫:১৫ পূর্বাহ্ন
দোয়ারাবাজার-শরীফপুর ব্রিজ এখন মরণ ফাঁদ
মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী :: দোয়ারাবাজার উপজেলা সদর থেকে সীমান্তের ৪ ইউনিয়নের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা চিলাই ও সুরমা নদীর মোহনায় নির্মিত জরাজীর্ণ ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে ছোট-বড় হাজারো যানবাহন চলাচল করার পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো কার্যকর সংস্কার না হওয়ায় এটি এখন ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজটির একাধিক স্থানে রেলিং স¤পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। সম্প্রতি নতুন করে আরও বেশ কয়েকটি অংশে রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি পাটাতনের ভাঙন আগের মতোই রয়ে গেছে, যা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, পাটাতনের ফাঁক দিয়ে কারো পা ঢুকে গেলে স্থায়ী পঙ্গুত্ব কিংবা প্রাণহানির মতো ভয়াবহ পরিণতি নেমে আসতে পারে। এলাকাবাসী জানান, ব্রিজটি শুধু স্থানীয় যোগাযোগ নয়, সীমান্তসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোগ পথ হওয়ায় এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। অথচ প্রতিদিন মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা হাজী মহিবুর রহমান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজটি এখন চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এরপরও প্রতিনিয়ত ভারী যানবাহন চলাচল করছে। যে কোন সময় ভেঙে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। ভূজনা গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, উপজেলা সদরের এই ব্রিজটির বেহাল অবস্থা দেখার কেউ নেই। একাধিক স্থানে পাটাতন ও ঢালাই ভেঙে বড় গর্ত হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও নিয়মিত ট্রাকসহ ভারী যান চলাচল করছে। গাড়ী উঠলে ব্রিজ কাঁপে। ব্রিজটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হলেও দেখার কেউ নেই। বড় ধরনের দুর্ঘটনার পর সচেতন হয়ে তো কোন লাভ নেই। দ্রুত সংস্কার এখন সময়ের দাবি। জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক স¤পাদক ও উপজেলা সভাপতি আব্দুল আউয়াল বলেন, এখনই ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যার দায় এড়ানোর সুযোগ থাকবে না। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরূপ রতন সিংহ বলেন, ব্রিজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ইতিমধ্যে সংস্কারের জন্য এডিপির বরাদ্দ হয়েছে, তবে এখনও টেন্ডার হয়নি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স